আইভরি কোস্টে কোকো উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

আইভরি কোস্টের প্রধান কোকো উৎপাদনকারী অঞ্চলের বেশির ভাগ অংশে গত সপ্তাহে বৃষ্টিপাত হয়নি।

আইভরি কোস্টের প্রধান কোকো উৎপাদনকারী অঞ্চলের বেশির ভাগ অংশে গত সপ্তাহে বৃষ্টিপাত হয়নি। সোমবার অঞ্চলটির কৃষকরা রয়টার্সকে জানান, এ শুষ্ক আবহাওয়া ফসলের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ফেব্রুয়ারি থেকে কমতে পারে পণ্যটির সরবরাহ।

কৃষকরা বলছেন, গাছে জানুয়ারিতে সংগ্রহ করার মতো পর্যাপ্ত পড (কোকো ফল) রয়েছে। তবে ফেব্রুয়ারি থেকে অক্টোবর-মার্চ প্রধান ফসল হিসেবে সংগ্রহ কমে যেতে শুরু করবে।

আইভরি কোস্টের ব্যবসায়ীরা জানান, কৃষকরা আবহাওয়া পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। পশ্চিম-মধ্য অঞ্চল ডালোয়া, কেন্দ্রীয় অঞ্চল বোগুয়ানু ও ইয়ামুসোক্রোয় গত সপ্তাহে বৃষ্টিপাত হয়নি।

ডালোয়ার ফস্টিন কোনান নামের এক কৃষক বলেন, ‘গত সপ্তাহে এ অঞ্চলে গত পাঁচ বছরের গড়ের তুলনায় তিন মিলিমিটার কম বৃষ্টিপাত হয়েছে। এটি মৌসুমের শুরু ও মাঝামাঝি সময়ের ফসলের জন্য ক্ষতিকর।

তবে আইভরি কোস্টের কৃষকরা জানিয়েছেন, শুষ্ক হার্মাটান বাতাসের তীব্রতা গত সপ্তাহের তুলনায় কমেছে।

উল্লেখ্য, হার্মাটানে এক ধরনের শুষ্ক বাতাস রয়েছে, যা সাধারণত ডিসেম্বর-মার্চ পর্যন্ত সাহারা মরুভূমি থেকে প্রবাহিত হয়। এ বাতাসে মাটি শুকিয়ে যায়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় কোকো ফসল।

আইভরি কোস্টের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি শহর সাউব্রে। এ অঞ্চলের কোয়াসি কুয়ামে নামের এক কৃষক বলেন, ‘‌তাপমাত্রা অনেক বেশি। ভালো কোকো উৎপাদনের জন্য জানুয়ারিতে সুষম বৃষ্টিপাত প্রয়োজন।’

পশ্চিম আফ্রিকার এ দেশে গত সপ্তাহে গড় তাপমাত্রা ২৬-২৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ছিল।

উল্লেখ্য, বিশ্বের শীর্ষ কোকো উৎপাদনকারী দেশ আইভরি কোস্ট। দেশটিতে সাধারণত নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে মার্চ পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুম বিরাজ করে। এ সময় বৃষ্টিপাত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

আরও